আমাদের সম্পর্কে

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। মেরুদন্ডহীন মানুষ যেমন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তেমনি অশিক্ষিত জাতিও বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। শিক্ষা উন্নতির পূর্বশর্ত। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। তাই উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

শিক্ষাকে সুশিক্ষা ও কুশিক্ষা -এই দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যে শিক্ষা সুষ্টির কল্যাণে আসে, তাই সুশিক্ষা। সুশিক্ষার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো ইসলামী শিক্ষা। কল্যাণমূলক দেশ ও জাতি গঠনে ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। এই শিক্ষাই ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র পর্যন্ত সবার উন্নতি সাধন করে, সবার মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। ধর্ম, সমাজ ও বিজ্ঞানের সমন্বয় সাধন করাই ইসলামী শিক্ষার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ইসলামী শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তি মনে আল্লাহর ভয় তথা ‘তাকওয়া’ সৃষ্টি করা। তাকওয়ার মাধ্যমে সমাজের অতি তুচ্ছ চরিত্রহীন ব্যক্তি উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে আরোহন করতে পারে। ইসলামের সোনালি যুগের মানুষ সাহাবায়ে কিরাম রাদি, তার উজ্জল প্রমাণ। সুন্দর, সুস্থ সোনালি ব্যক্তি গঠনে তাকওয়ার ভূমিকা অপরিসীম। সে লক্ষ্যে ২০১১ ঈয়াসী সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জামিয়াতু হযরত বিলাল হাবশী (রাঃ) আখতার নগর মাদ্রাসা মাসজিদ ও এতিমখানা।

অত্র জামিয়া একজন মুসলিম সন্তানকে তাকওয়াবান হিসেবে গড়ে তুলতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রচেষ্ঠায় আপনার সহযোগিতা ও আন্তরিক পরামর্শ আমাদের ঈমানী কাজকে আরো বেগবান করবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ইসলামের সহীহ বুঝ দান করুন এবং সর্বক্ষণ প্রাণপ্রিয় ইসলামের খেদমতে যুক্ত থাকার তাওফীক দিন। আমিন