০১. অভিভাবক অভিভাবিকা ও শিক্ষার্থীকে জামিয়ার যাবতীয় নিয়ম- কানুনের সাথে একমত হতে হবে।
০২. ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স মেধা, আর্থিক সঙ্গতি ও স্বাস্থ্য যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হবে।
০৩. ভর্তির ব্যাপারে মুহতামিম সাহেবের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
০৪. সার্বিক বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির জন্যে বাছাই করা হয়।
০৫. কারণ দর্শানো ছাড়া যেকোনো শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের অধিকার কর্তৃপক্ষের রয়েছে।
০৬. জামিয়ার অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
০৭. ফরমের সাথে অভিভাবক/অভিভাবিকা ও শিক্ষার্থীর দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জন্মসনদের ফটোকপি এবং পূর্বের প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
০৮. জামিয়ার শিক্ষাবর্ষ প্রতিবছর রমজান থেকে রমজান পর্যন্ত অতএব ভর্তি এবং ভর্তি নবায়ন প্রতি রমজানে করতেই হবে।
০৯. প্রতি বছর শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই ভর্তি করতেই হবে।
১০. সবশেষে অফিস নির্দেশনা অনুসরণ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
অভিভাবকদের জ্ঞাতব্য বিষয়
প্রত্যেক অভিভাবককে মাসে কমপক্ষে একবার হলেও জামিয়া কর্র্তৃপক্ষের সাথে সাক্ষাৎ করা জরুরি। প্রতি ইংরেজি মাসের ০৫ তারিখের মধ্যে চলতি মাসের মাসিক প্রদেয় (বেতন/খোরাকি/অন্যান্য) পরিশোধ করতেহবে। কোনো শিক্ষার্থী কিছুদিন বা অধিকাংশ দিন অনুপস্থিত থাকলে মাসিক প্রদেয় থেকে কোনো টাকা ফেরত দেয়া হয় না। নির্দিষ্ট সুবিধা (থাকা-খাওয়া, ক্লাস, কোচিং, নিরাপত্তাও তত্ত্বাবধান) ছাড়া বাকি বিষয়ের খরচ অভিাবাক/অভিভাবিকাকে বহন করতে হবে। শিক্ষার্থীকে বাসায় যথাসাধ্য গাইড দিতে হবে যাতে সে জামিয়ার শিক্ষকদের কথা ভুলে গিয়ে খারাপ ছেলেদের সাথে মিশতে না পারে। সন্তানের সার্বিক অবস্থা খেয়াল রাখতে হবে। তার খাওয়া-দাওয়া, চলাফেরা ইত্যাদিতে কোনো খারাপ লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কিনা। তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।